Thursday, October 3, 2013

কম্পিউটার এর কিছু সাধারন সমস্যা এবং তাদের সমাধান

আজকে আমরা কম্পিউটারের কিছু সাধারন সমস্যা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যা আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক সময় দেখি কিন্তু আমরা তাদের আসল কারন এবং সাময়িক সমাধান জানি না। আশা করি আপনারা এই পোস্ট টি পছন্দ করবেন এবং এই লেখা সম্পর্কে পজিটিভ ধারনা পোষন করবেন। চলুন আমরা শুরু করিঃ

১. মনিটর এর আলো যাওয়া আসা করা
  • মনিটর ক্যাবল, ডাটা ক্যাবল, RAM, ডিসপ্লে কার্ড, সি পি উ সংযোগ সহ সকল সংযোগ পরীক্ষা করুন। অনেক সময় হাল্কা সংযোগ এর কারনে এই সমস্যা হয়।
২. চলমান ৩ টা বিপ শব্দ
  • সমস্যা RAM সংযোগ এ। বিপ শব্দগুলো সাধারণত RAM এ তৈরি হয়।
3. তিনটা বিপ শব্দ (১ টা বড়, ২ টা ছোটো)
  • ডিসপ্লে কার্ড এর সংযোগ এ সমস্যা। এটা পরিষ্কার করুন।
৪. কিছু সময় পর পর তিনটা বিপ শব্দ
  • সমস্যা BIOS অথবা RAM এ। (Basic Input Output System)(Random Access Memory)
৫. চলমান ননস্টপ বিপ এর শব্দ
  • কীবোর্ড এর সমস্যা। কোন একটা কী অনেক সময় যাবত প্রেস করা আছে।
৬. FDD LED চলমান ভাবে উজ্জ্বল হয়ে থাকা
  • ডাটা ক্যাবল টা ঠিক মত সংযোগ পেতে হবে (Twisted Cable)। ভেঙ্গে যায় এমন তার ব্যবহার করা ঠিক না।
৭. স্ক্রীন এ কোন ডিসপ্লে না থাকা
  • হার্ড ডিস্ক ক্যাবল ভুলভাবে লাগানো হয়েছে। রেড মার্ক দেখে ভালভাবে লাগিয়ে নতুন করে কম্পিউটার অন করতে হবে।
৮. পাওয়ার এল ই ডি বন্ধ হলে
* মেইন পাওয়ার কার্ড পরীক্ষা করুন
* S. M. P. S পরীক্ষা করুন
* মাদার বোর্ড এর সংযোগ পরীক্ষা করুন
* সি পি ইউ এবং মনিটর এর সুইচগুলো আবার পরীক্ষা করুন
৯. CMOS ভুল দেখানো
  • মাদার বোর্ড এর ৩ ভোল্ট ব্যাটারি রিপ্লেস করুন। ম্যানুয়ালি আসল সেটিংস্‌ টা করুন। (refer-CMOS Setup Chart). আপনার সার্চ নাম টা লিখুন এবং সার্চ ফর্ম টা জমা দিন।
১০. FDD ভুল অথবা ফ্লপি ড্রাইভ টা ঠিক মত কাজ করছে না
  • FDD এর পাওয়ার কর্ড, ডাটা ক্যাবলস পরীক্ষা করুন। CMOS টা সেট করুন এবং শেষবারের মত ড্রাইভ টা পরীক্ষা করুন
১১. HDD error এবং হার্ড ডিস্ক failure
  • পাওয়ার কর্ড, HDD সংযোগ, ডাটা ক্যাবল পরীক্ষা করুন
  • CMOS এ হার্ড ডিস্ক প্যারামিটারস  এবং Auto detecting Partitions by Fdisk command পরীক্ষা করুন, তারপর set track 0 তে সেট করুন।
১২. পাওয়ার সাপ্লাই এর সমস্যার কারনে মাদার বোর্ড হাং করলে
  • S.M.P.S পরীক্ষা করুন
  • RAM  ঠিক মত কাজ করছে না
  • সফটওয়্যার সমস্যা (নকল সফটওয়্যার ব্যবহার করার কারনে)
  • CPU ফ্যান ঠিক মত কাজ না করলে
  • CPU এর ভিতরে গরম বাতাস থাকা উচিত না
১৩. লাফানো স্ক্রীন
  • ডিসপ্লে কার্ড এর সংযোগ পরীক্ষা করুন
  • ভাইরাস এর সমস্যা
  • ভিডিও মেমোরি সমস্যা
১৪. স্ক্রীন নড়াচড়া করা
  • আরথিং সমস্যা
  • ম্যাগ্নেটিক ঢেউ আসা
১৫. সিপিইউ ক্যাবিনেট শক
  • আরথিং পরীক্ষা করুন
  • মেইন পাওয়ার কর্ড টা পরীক্ষা করুন
১৬. নন-সিস্টেম ডিস্ক এরর
  • ফ্লপি ড্রাইভ এ অন্য কোন ডিস্ক থাকা (Non-bootable) অথবা হার্ড ডিস্ক এর জন্য CMOS এর প্যারামিটার ঠিকমত সেট করা না
  • হার্ড ডিস্ক এর পারটিশন নাও হতে পারে
  • হার্ড ডিস্ক মুছে ফেলা নাও যেতে পারে
১৭. Operating system খুজে না পাওয়া
  • কিছু সিস্টেম ফাইল যেমন {command.com}- {User File IO.SYS & MS_ DOS.SYS}- Hidden files খুজে পাওয়া যায় না।এই তিনটি ফাইল সিস্টেম এর স্টার্ট এর জন্য দরকার হয়, যেটা SYS C: command অথবা ফরম্যাটিং টাইম   বাই ফরম্যাট c:/u/s ব্যবহার করে ট্রান্সফার করা যায়।
18. কমান্ড ইন্টারপ্রেটর খুজে না পাওয়া
  • Command.com ফাইল টি ভাইরাস এ আক্রান্ত হইছে অথবা কেউ ডিলিট করে দিছে।
১৯. I/O ERROR দেখানো
  • CMOS এ হার্ড ডিস্ক ঠিকমত সেট করা নাও হতে পারে
  • ফরম্যাট এর জন্য যে operating system ব্যবহার করা হয় সেটা বৈধ নাও হতে পারে
২০. DEVINE OVER-FLOW MESSAGE দেখানো
  • কিছু directories অথবা ফাইল অন্য কোন ফাইল এর সাথে ক্রাশ করা
  • CHKDSK/F অথবা SCANDISK কমান্ড ব্যবহার করুন সঠিক করার জন্য
২১. প্রসেসিং এর সময় হার্ড ডিস্ক এ গোলযোগ হওয়া
  • পাওয়ার সাপ্লাই ঠিকমত না থাকা
  • সংযোগ দুর্বল হয়ে গেছে কিনা পরীক্ষা করা
  • হার্ড ডিস্ক এর জন্য Y connectors ব্যবহার না করা
  • এটা খারাপ সেক্টর অথবা দুর্বল হার্ড ডিস্ক তৈরি করতে পারে
২২. প্রসেসিং এর সময় হার্ড ডিস্ক হাং করলে
  • CHKDSK or SCANDISK Command দিয়ে Bad Sector পরীক্ষা করুন। যদি পান, তাহলে হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করুন এবং ঐ এরিয়ার পূর্বে পার্টিশন সেট করুন। (Bad Sector এর সাথে হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করার জন্য এই পদ্ধতি) অথবা (Bad Sector যেন Standard Power Supply ব্যবহার করতে না পারে)
২৩. হার্ড ডিস্ক ডিটেকট করতে না পারা
  • পাওয়ার কানেক্টর পরীক্ষা করা
  • ডাটা ক্যাবল পরীক্ষা করা
  • জাম্পার পরীক্ষা করা
২৪. পার্টিশন না দেখানো
  • operating system এর যেখানে হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করা সেটা বর্তমান মাদার বোর্ড সাথে সাপোর্ট করে না। উদাহরন সরূপঃ Pentium এর সাথে যে হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করা হয়েছে, সেটার পার্টিশনগুলো 486 system এ লুকান থাকবে।
২৫. MMX/DLL ফাইল গুলো খুজে না পাওয়া
  • পাওয়ার ফেইলর অথবা ভাইরাস এর কারনে ফাইল গুলো corrupted হয়ে যেতে পারে। ফাইল গুলো অন্য কম্পিউটার থেকে আনতে হবে। অথবা Windows 98 operating system আবার ইন্সটল দিতে হবে। ( এই পদ্ধতিতে কম্পিউটার এ থাকা কোন ডাটা কে পরিবর্তন করবে না)
২৬. উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এরর
  • হটাৎ করে সিস্টেম এর অন/অফ এর কারনে এটা হয়। সর্বশেষ সমাধান হল operating system কে পুনরায় ইন্সটল করা।
২৭. ডিসপ্লের  রঙ না মিললে
  • ডিসপ্লে কার্ড সঠিকভাবে তাদের CD র সাথে স্থাপন করা
  • স্ট্যান্ডার্ড সেটিংস্‌ ফর উইন্ডোজ  কে ৮০০*৬০০ তে সেট করা। এটা ভালভাবে চলতে সাহায্য করে
২৮. Unknown device found
  • ড্রাইভার ইউটিলিটি operating system এর সাথে দেওয়া না ও থাকতে পারে। ঐ device টির জন্য driver CD থেকে সফটওয়্যার install করতে হবে।

Monday, November 26, 2012

INTERNET DOWNLOAD MANAGER


ণতুন ওয়েবসাইট!!!

আপনাদের সকলের জন্য একটি নতুন ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে যেখানে Beginner থেকে Advance user level এর সবাই তাদের প্রয়োজনীয় যে কোন সফটওয়্যার, টিপস, সমস্যার সমাধান, নতুন তথ্য এবং আরো অনেক কিছু পাবেন। আশা করি ভালো লাগবে।
টেকিভাই ডট টিকে

Friday, May 18, 2012

Prepaid Qubee Recharge প্রক্রিয়া

আমার যারা নতুন Qubee user আছি তাদের মধ্যে অনেকেই এর রিচার্জ প্রক্রিয়াটি জানেন না। আজ তাদের জন্য লিখছি। প্রত্যেকেরই নিজস্ব Qubee User Id and Qubee User Password আছে।  http://my.qubee.com.bd/ এই লিংকটিতে ক্লিক করে User Name and Password অংশে আপনার  Qubee User Id and Qubee User Password টি দিয়ে Login এ ক্লিক করবেন। আপনার Prepaid Account টি Open হবে। এবার Recharge Account হতে Rechage এ ক্লিক করবেন। Rechage করার জন্য একটি পেজ আসবে। আপনার কাছে যদি Qubee প্রিপেইড রিচার্জ কার্ড থাকে তবে প্রাপ্ত Serial no এবং Pin no টি এই পেজ এর নির্ধারিত অংশে বসিয়ে Submit এ ক্লিক করে Confirm করলে আপনার একাউন্ট টি রিচার্জ হয়ে যাবে। যারা প্রিপেইড Qubee ব্যবহার করেন, মেয়াদান্তে আর যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না, তখন এই পদ্ধতিতে রিচার্জ করবেন।

Sunday, August 22, 2010

আপনার কম্পিউটার কে সদা পরিষ্কার রাখুন!

ধুলোবালি আপনার কম্পিউটারের জন্য একটি ক্ষতিকর দিক। তাই সর্বদা চেষ্টা করবেন আপনার পিসিটা যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে। এ জন্য প্রয়োজনে আপনি একটি ধুলোবালি পরিষ্কার করার যন্ত্র কিনে রাখতে পারেন। তাছাড়া কম্পিউটার ডাষ্ট কাভারও ব্যবহার করতে পারেন।সপ্তাহে একবার বা মাসে দুইবার পিসিটাকে পরিষ্কার করার চেষ্টা করবেন।ধন্যবাদ।